Posts

বৃষ্টি তে বারান্দায়

Image
বারান্দায় দাড়িয়ে তোর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম! ভাবছিলাম কখন তুই আসবি আর মনের ক্লান্তিটা দূর করবি! তোর চমকানো আলো খুব ভয় লাগে তবুও মন থেকে দুয়া করছিলাম কখন তুই আসবি আর তোর এক অদ্ভুত ঠাণ্ডার শীতল হাওয়া দিয়ে শরীরকে ছুয়ে দিবি! তোকে না দেখার অপেক্ষার পর যখনি ঘরে পা দিলাম তখনি জানালার কাঁচে এসে বাড়ি মেরে তোর অস্তিত্ত জানালি!  আহা!! বৃষ্টির ফোঁটা ! বৃষ্টি , তোকে সত্যিই বড্ড দেখতে ইচ্ছে করছিল আর তোর বড় বড় ফোটার শব্দ শুনতে আর তোর ঘ্রান নেয়ার জন্য মনের মাঝে এক অদ্ভুত ইচ্ছে উঁকি মারছিল! যাক ইচ্ছেটা তুই পূরন করলি!!

চিঠি

Image
মায়ূন আহমেদ-এর একটা লিখায় পড়েছিলাম, কোনো চিঠি যতক্ষণ না পড়া হয় ততক্ষণ তার মধ্যে থাকে ম্যাজিক। চিঠি পড়ে ফেললেই ম্যাজিক শেষ! কথা সত্য। আব্বু দেশের বাইরে অনেকদিন! খুব ছোটোবেলায় দেখতাম আব্বুর সাথে আমাদের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম ছিলো চিঠি। সেই সুবাদে প্রায় প্রতি মাসেই হলুদ খামে মোড়া ম্যাজিক এসে উপস্থিত হতো আমাদের হাতে। চিঠি পড়ার পর ম্যাজিক ফুরিয়ে যেতো, কিন্তু তার রেশ থেকে যেতো নতুন কোনো ম্যাজিক এসে পৌঁছার আগ পর্যন্ত।  এরপর মুভি, নাটক, গল্প উপন্যাসে ভালবাসার নীল খামের ম্যাজিকের কথা অনেক শুনি!  খুবই দুঃখের কথা হলো, এই মোবাইল ফেইসবুকের যুগে ''''হলুদ খামের, নীল খামের সেই ম্যাজিক আর দেখা যায়না এখন । হয়তো আগামী প্রজন্ম এই ম্যাজিকের খবর কোনোদিন জানতেও পারবে না!

ভালবাসার প্রতিটা মুহূর্ত

Image
এক সময়ের ভালবাসায় হয়তবা সত্যি তাই হত, অনেক ঝড় ঝাপ্টা পেড়িয়ে সবার আড়ালে প্রিয় মানুষটির সাথে দেখা করতে যাওয়া। কেউ যেন না দেখে তাই রিক্সার হুট তুলে হাতে হাত রেখে একটুকু ছোয়ার এক বিশাল ভাললাগার অনুভূতি! ছেলেটির হাতে কিছু বাদাম আর মেয়েটি্র হাতে অনেকগুলো বেলী ফুলের মালা নিয়ে পার্কের ভেতরের ৪-৫ ফিটের ছোট্ট বেঞ্চে আর নয়তবা কোনো এক গাছের নিচে মাটিতে বসেই বাতাসে মেয়েটির অগুছালো চুলের দিকে অপলক ভাবে তাকিয়ে থেকে প্রিয় মানুষটির সাথে ৪-৫ ঘণ্টা অনায়াসে কাটিয়ে দিত যেন কথার ফুলঝুরি শেষ নেই ! এইভাবে দিব্বিভাবেই এক এক দিনের মিষ্টি মধুর ভালবাসার কথার ফুলঝুরি নিয়ে কাটিয়ে দিত ভালবাসার প্রতিটা মুহূর্ত !

আরে পাগলী এর নামই ভালবাসা

Image
মীরা আর রাতুল দুজন দুজনকে অসম্ভব ভালবাসে । দুজনেরি দুজনের কাছে চাওয়া পাওয়া অনেক বেশি। এতটাই বেশি যে ইদানিং এই চাওয়া পাওয়ার ব্যাপার গুলো নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াই হয়! আজ মীরার সেমিস্টারের প্রথম ক্লাস। ক্লাস বেশিক্ষন হবেনা কারন প্রথম ক্লাস গুলো শুধু নাম ডেকেই ছেরে দেয়। তাই মীরা ভাবল আজ রাতুলকে নিয়ে ক্লাসের পর রিক্সা দিয়ে ঘুরবে । বাসা থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে গেল রাতুলের জন্য।মীরা ক্যাম্পাসে ঠিক সময় মতই গেল কিন্তু রাতুল এল ১ঘন্টা পর। যাইহোক, মীরা আজ রাতুলের উপর রাগ করবেনা কারন আজ সে রাতুলকে নিয়ে বেড়াতে বের হবে! ক্লাস শুরু হতে দেরি তাই দুজন ক্যাম্পাসের মাঠেই বসল। মীরা ভাবল রাতুল বলবে তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে মীরা। কিন্তু না রাতুল মীরাকে তেমন কিছুই বল্লনা! রাতুলের মুখটা খুব শুকনো লাগছিল। মীরা ভাবল তার মনে হয় খুধা লাগছিল, রাতুলকে খাবারের কথা জিজজ্ঞেস করতেই রাতুল বল্ল খুধা নেই। রাতুল চুপ করে বসে আছে, মীরা বার বার জিজ্ঞেস করল তোমার কি মোন খারাপ? রাতুল বলল না শুধু মাথাটা ব্যাথা করছে! মীরার তারপও কেন যেন মনে হল রাতুলের মোন খারাপ!ক্লাস শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই, এর মাঝেই রাতুলের মোনটা ভাল করতে হবে...

নিরপেক্ষতা

Image
আমরা অনেক সময় নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করে থাকি। কিন্তু নিরপেক্ষ মানে কি তা আমরা জানি কি? নিরপেক্ষতা মানে কারো পক্ষপাতি না করা। কিন্তু আমরা নিজেকে নিরপেক্ষ প্রমান করার জন্য কারো পক্ষপাতি করা বাদ দেয়ার সাথেসাথে আরো কিছু করি। আর তা হচ্ছে আমরা আরো এক ধাপ এগিয়ে লোক দেখানোর জন্য তার বিরুদ্ধে কাজ করা শুরু করে দেই। এটা কেমন নিরপেক্ষতা? আমরা বাঙ্গালিরা হয় একটু কম করি না হয় একটু বেশী করি। সঠিক সময়ে, সঠিক মানুষের সাথে, সঠিক পরিমানের ব্যবহার করা আমরা কবে শিখব???

মা, মামুনি, আম্মু, আম্মা, মম

Image
মা, মামুনি, আম্মু, আম্মা, মম, যাই ডাকিনা কেন মানুষ সেই একজন আর একটাই প্রিয় মুখ। পৃথিবীতে চোখটা খুলেই যে মুখটা দেখি তা হচ্ছে মায়ের মুখ আর অসহ্য প্রসব বেদনার পর ছোট্ট মুখটি দেখে এত ব্যাথার মাঝে যার মুখে হাসি থাকে সে হচ্ছে মায়ের মুখ! আমি যখন স্কুলে পড়াতাম, একবার বাচ্চাদের বল্লাম মা সম্পরকে ১০লাইন লিখতে! আশ্চর্যের ব্যাপার কেউই ১০লাইন না উল্টো পাতা ভরে মাকে নিয়া লেখা! এই ছোট্ট বাচ্চা গুলো বুঝিয়ে দিল মাকে নিয়ে লেখার কোনো লিমিট নেই। তার চাইতেও বড় কথা সবার লেখাতেই কমন লেখা ছিল '' অস ুস্থ হলে মা সারা রাত জেগে বসে থাকে!'' আর ছিল ''আমি আমার মাকে বড় ভালবাসি''। এই একটা মানুষকে কখনো মুখ ফুটে কিছু বলতে হয়না, তার সাথে কখনো কিছু লুকানোও যায়না, কি এক অপূর্ব শক্তি দিয়ে সন্তানের সব কিছু বুঝে ! আমার মামা বোবা কথা বলতে পারেনা জন্মের পর থেকেই, খুব আজব লাগে যখন আমার নানুকে মামার সাথে কথা বলতে দেখি! কি অবলীলায় মা ছেলে কথা বলে! আমার বন্ধু নামটা না বলি, এই বছরই মা হয়েছে......নিজের মেয়েকে এক মুহূর্তের জন্য কোল থেকে নামায়না, আমরা বকা দিয়ে বলি অভ্যাস খারাপ করে ফেল ছিস কোলে রেখে রেখ...

চাওয়া পাওয়া

Image
মীরা আর রাতুল দুজন দুজনকে অসম্ভব ভালবাসে। দুজনেরি দুজনের কাছে চাওয়া পাওয়া অনেক বেশি। এতটাই বেশি যে ইদানিং এই চাওয়া পাওয়ার ব্যাপার গুলো নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াই হয়! আজ মীরার সেমিস্টারের প্রথম ক্লাস। ক্লাস বেশিক্ষন হবেনা কারন প্রথম ক্লাস গুলো শুধু নাম ডেকেই ছেরে দেয়। তাই মীরা ভাবল আজ রাতুলকে নিয়ে ক্লাসের পর রিক্সা দিয়ে ঘুরবে। বাসা থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে গেল রাতুলের জন্য।মীরা ক্যাম্পাসে ঠিক সময় মতই গেল কিন্তু রাতুল এল ১ঘন্টা পর। যাইহোক, মীরা আজ রাতুলের উপর রাগ করবেনা কারন আজ সে রাতুলকে নিয়ে বেড়াতে বের হবে! ক্লাস শুরু হতে দেরি তাই দুজন ক্যাম্পাসের মাঠেই বসল। মীরা ভাবল রাতুল বলবে তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে মীরা। কিন্তু না রাতুল মীরাকে তেমন কিছুই বল্লনা! রাতুলের মুখটা খুব শুকনো লাগছিল। মীরা ভাবল তার মনে হয় খুধা লাগছিল, রাতুলকে খাবারের কথা জিজজ্ঞেস করতেই রাতুল বল্ল খুধা নেই। রাতুল চুপ করে বসে আছে, মীরা বার বার জিজ্ঞেস করল তোমার কি মোন খারাপ? রাতুল বলল না শুধু মাথাটা ব্যাথা করছে! মীরার তারপও কেন যেন মনে হল রাতুলের মোন খারাপ! ক্লাস শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই, এর মাঝেই রাতুলের মোনটা ভাল করতে হবে...